Search This Blog

Showing posts with label ক্যারিয়ার. Show all posts
Showing posts with label ক্যারিয়ার. Show all posts

Thursday, October 13, 2011

হোমিও চিকিৎসাপেশায় ক্যারিয়ার বিকাশ

চিকিৎসাবিজ্ঞানের জনক হিপোক্রেটিস মানবদেহের চিকিৎসার জন্য ২টি চিকিৎসাপদ্ধতির কথা বলেছেন যার একটি বিসদৃশ তথা এলোপ্যাথিক চিকিৎসা এবং অপরটি সদৃশ তথা হোমিওপ্যথিক চিকিৎসা পদ্ধতি। কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞানী ক্রিশ্চিয়ান ফ্রেডরিক স্যামূয়েল হ্যানিম্যান ১৭৯০ সালে দীর্ঘ পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ করলেন সদৃশ চিকিৎসা পদ্ধতিই হতে পারে আরোগ্যের আদর্শ পদ্ধতি। তিনি এর নাম দিলেন হোমিওপ্যাথি। রোগ নয় রোগীর সার্বিক দৈহিক এবং মানসিক লক্ষণই যেখানে মূখ্য। তারপর থেকে শুরু হয় এ পদ্ধতির ক্রমবিকাশ জার্মানী থেকে পুরো বিশ্বে বিস্তার লাভ এবং প্রচুর গবেষণা। যারই ধারাবাহিকতায় ১৯৯৬ সালে হোমিওপ্যাথিকে ‘‘একটি বিজ্ঞানভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি’’ আবিষ্কারের জন্য সুইডিশ পার্লামেন্ট গ্রিসের বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী ডাঃ জর্জ ভিথোলকাসকে বিকল্প নোবেল পুরস্কার প্রদান করে।

বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথির অবস্থান : পাকিস্তান আমলে ১৯৬৫ সালৈ সরকারিভাবে হোমিওপ্যাথি বোর্ড গঠনের মাধ্যমে হোমিওপ্যাথিক শিক্ষাব্যবস্থাকে একটি কাঠামোর আওতায় নিয়ে আসা হয়। ১৯৮০ এর দশকের শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পাঁচ বছরের গ্রাজুয়েশন কোর্স প্রবর্তন করা হয়। সরকারিভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। ১৯৮৩ সালে হোমিওপ্যাথিক অধ্যাদেশ জরির মাধ্যমে হোমিওপ্যাথিক বোর্ড গঠন করে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও সুগঠিত করা হয়। তাছাড়া স্বাস্থ্য সার্ভিসের মহাপরিচালকের অধিদপ্তরে একটি হোমিওপ্যাথিক ও দেশজ চিকিৎসার পরিচালকের দপ্তর সৃষ্টি করা হয়।
বর্তমানে দেশে একটি সরকারি সহ তিনটি ডিগ্রি হোমিওপ্যাথিক কলেজ ও ৩৮টি ডিপ্লোমা কলেজ প্রতিষ্ঠিত আছে। প্রায় এক হাজার ব্যাচেলর ডিগ্রিধারী এবং বহু সহস্র ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারী হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক রয়েছেন। এদের মধ্যে ১৫ জন গ্রাজুয়েট হোমিওপ্যাথ বিগত ২০০০ সালে জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রমে জেলা সদর হাসপাতালে হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল অফিসার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে অনেক চিকিৎসক পদ সৃষ্টি করে (জি ও) নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হচ্ছে।

ডিএইচএমএস (ডিপ্লোমা ইন হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন এন্ড সার্জারি)


ডিএইচএমএস (ডিপ্লোমা ইন হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন এন্ড সার্জারি) বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড, ঢাকা কতৃক নিয়ন্ত্রিত। এই কোর্সে দিবা ও নৈশ বিভাগের যেকোনো বিভাগে ভর্তি হওয়া যায়।


কোর্সের মেয়াদ: একাডেমিক শিক্ষা 4বছর৷

ইন্টার্নশিপ: কোর্স শেষে ৬ মাস ইন্টার্নি করতে হয়।

ভতির্র যোগ্যতা:
স্বীকৃতিপ্রাপ্ত
যেকোনো শিক্ষা বোর্ড থেকে এসএসসি/সমমানের পরীক্ষায় (যেকোনো গ্রুপে) উত্তীর্ণ হতে হবে। উচ্চতর ডিগ্রীপ্রাপ্তদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথির শিক্ষা কোর্স


আমাদের দেশে চাকরির পদের তুলনায় চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যা দিন দিনই বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। ফলে প্রতিবছরই ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠীর সংখ্যা। বাস্তবতার নিরীক্ষে বাংলাদেশে প্রয়োজন বিশেষায়িত শিক্ষার। যার মাধ্যমে শিক্ষা সম্পন্ন করার পরপর কেউ যেন চাকরির পিছনে না ছুটে স্বনিভর্রতার সাথে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়ে উঠে। এরই ধারাবাহিকতায় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ডিপ্লোমা/ ডিগ্রী অর্জনের মাধ্যমে নিজেকে দক্ষ হোমিও চিকিৎসক রূপে ক্যারিয়ার শুরু করা সম্ভব। হোমিও চিকিৎসায় নিয়োজিত হলে এবং সফলভাবে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করতে সক্ষম হলে আপনার ক্যারিয়ার আজীবন সচল থাকবে কোন বিরতী ছাড়াই।
বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথির ২টি শিক্ষা কোর্স চালু আছে। শিক্ষা কোর্স  গুলো হলো- বিএইচএমএস কোর্স ও ডিএইচএমএস কোর্স ।


বিএইচএমএস (ব্যাচেলর অব হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন এন্ড সার্জারি)




বিএইচএমএস (ব্যাচেলর অব হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন এন্ড সার্জারি)

বিএইচএমএস (ব্যাচেলর অব হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন এন্ড সার্জারি) ১৯৮৫-৮৬ সাল থেকে কার্যকর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএইচএমএস কোসের্র নিয়মাবলী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। B.H.M.S এর একাডেমিক ৫ বছরে মোট ৪টি Professional পরীক্ষা দিতে হয়।। সাফল্যের সঙ্গে ৬ বছর (ইন্টার্নিসহ) পড়াশোনা শেষ করার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমাবর্তন-এর মাধ্যমে সার্টিফিকেট প্রদান করে থাকে।

কোর্সের মেয়াদ: একাডেমিক শিক্ষা ৫বছর৷

ইন্টার্নশিপ: কোর্স শেষে ১ মেডিকেল কলেজ সংলগ্ন হাসপাতালে ১বছর ইন্টার্নি করতে হয়।


ভর্তিতথ্য :
১. ভর্তিচ্ছুকে অবশ্যই বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক হতে হবে।

২.স্বীকৃতিপ্রাপ্ত যেকোনো শিক্ষা বোর্ড থেকে এইচএসসি/সমমানের পরীক্ষায় বিজ্ঞান গ্রুপে উত্তীর্ণ হতে হবে।

৩.আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে কমপক্ষে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি /দাখিল এবং এইচ এস সি/ আলিম পরীক্ষায় 7.00 পেতে হবে। (বায়োলজি আবশ্যক)

৪. মোট আসন সংখ্যা ৫০টি। একটি উপজাতীয় এবং একটি বিদেশীদের জন্য সংরক্ষিত।

সুবিধাসমূহ :

  • বর্তমানে ১৫টি সদর হাসপাতালে সরকারি নিয়োগপ্রাপ্ত B.H.M.S ডিগ্রিধারী প্রথম শ্রেণীর চিকিৎসকরা সেবা প্রদান করেছেন। আরো নিয়োগ প্রক্রিয়া শীঘ্রই সম্পন্ন হবে।
  • দেশের প্রতিটি সরকারি হাসপাতাল, জেলা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিকেল অফিসার হিসাবে B.H.M.S চিকিৎসক নিয়োগের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
  • ঢাকা সিটি কর্পোরেশন সহ দেশের অন্যান্য সিটি কর্পোরেশনে B.H.M.S চিকিৎসকগণ নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে সেবা প্রদান করছেন।
  • B.H.M.S ডিগ্রি অর্জনের পর দেশে ও বিদেশে উচ্চতর ডিগ্রি লাভ করা যায়। যেমন : MD, MPH, PDHE, PGD, MBA, PHD, FF&DF, MHE, MPS, DMU.
  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে B.H.M.S ডাক্তারগণ নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন।
  • BCS (সাধারণ) পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করা যায়।




ডিএইচএমএস (ডিপ্লোমা ইন হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন এন্ড সার্জারি)


ডিএইচএমএস
(ডিপ্লোমা ইন হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন এন্ড সার্জারি) বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড, ঢাকা কতৃক নিয়ন্ত্রিত। এই কোর্সে দিবা ও নৈশ বিভাগের যেকোনো বিভাগে ভর্তি হওয়া যায়।
কোর্সের মেয়াদ: একাডেমিক শিক্ষা 4বছর৷
ইন্টার্নশিপ: কোর্স শেষে ৬ মাস ইন্টার্নি করতে হয়।

ভতির্র যোগ্যতা:
স্বীকৃতিপ্রাপ্ত
যেকোনো শিক্ষা বোর্ড থেকে এসএসসি/সমমানের পরীক্ষায় (যেকোনো গ্রুপে) উত্তীর্ণ হতে হবে। উচ্চতর ডিগ্রীপ্রাপ্তদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে।
 
বাংলাদেশে অগনিত মানুষ রয়েছে যারা কেবলমাত্র হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করে থাকে। বিশেষ করে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা স্বল্পমূল্যে করা সম্ভব হবার কারণে এবং হোমিও ঔষধের মূল্যে অনেক কম হবার কারণে বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠী হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সেবার উপর নিভর্রশীল। যার ফলশ্রুতিতে এই পেশাতে নিয়োজিত চিকিৎসকদের ক্যারিয়ারে প্রতিষ্ঠা পেতে বেশিদিন প্রয়োজন হয় না।
হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজে শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে স্বল্প ব্যয়ে এবং স্বল্পসময়ে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক রূপে জনগণের চিকিৎসা প্রদান করা সম্ভব। সেই সাথে দেশের স্বাস্থ্যখাতে সরাসরি অবদান রাখার পাশাপাশি নিজের অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা আনয়ন সম্ভব। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি ক্যারিয়ারে সফল হতে অনেকেই এখন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার শুরু করছে। আপনি যদি এই পেশাতে ভব্যিষতে কাজ করতে চান তবে অবশ্যই দ্রুত সিদ্ধান- গ্রহণ করুন।





ক্যারিয়ার গড়তে হোমিওপ্যাথি


আধুনিক বিশ্বে প্রযুক্তির উন্মেষ ঘটিয়ে দ্রুত এগিয়ে চলেছে বিশ্ব। তারই ধারাবাহিকতায় নব নব পেশার সম্মিলন ঘটে চলেছে আমাদের চারপাশে। মানুষ স্বাভাবিকভাবেই আধুনিক প্রবন। ফলে আধুনিকতা সমৃদ্ধ পেশার চাহিদা সবসময়ই বৃদ্ধির পথে। সারাবিশ্বে আধুনিকতার উন্নয়নের সাথে সাথে এমন অনেক পেশা রয়েছে যাদের চাহিদা বিন্দুমাত্র হ্রাস পায়নি। হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার তার মধ্যে অন্যতম। হোমিওপ্যাথিক শিক্ষা অর্জন করেই হতে হয় হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার। বাংলাদেশসহ পৃথিবীর অনেক উন্নতদেশেই হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার যথেষ্ট কদর রয়েছে। হোমিও প্যাথিক চিকিৎসার অন্যতম আকর্ষণ হচ্ছে হোমিওপ্যাথিক ঔষধে কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। ফলে এ সংক্রান্ত- চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে আমাদের দেশে প্রচুর মানুষ রয়েছে। চিকিৎসা শাস্ত্রের অন্যতম একটি ক্ষেত্র হোমিও চিকিৎসা। এই চিকিৎসা যারা প্রদান করেন তাদেরকেই মূলত হোমিও প্যাথিক ডাক্তার হিসেবে বিবেচিত করা হয়।
বাংলাদেশে
হোমিও চিকিৎসার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বিশেষ করে স্বল্প খরচে চিকিৎসা সেবা প্রদানের কারণে এবং পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াবিহীন চিকিৎসার কারণে বিপুল সংখ্যক মানুষ হোমিও চিকিৎসার উপর নিভর্রশীল। ফলে হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করলে আজীবন উপার্জন করা সম্ভব। বরং এই পেশার সবচেয়ে ভাল দিক হচ্ছে এই পেশাতে নিয়োজিত ডাক্তারদের যত অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি পাবে ততই আয় বৃদ্ধি পেতে থাকে। এমনকি হোমিও চিকিৎসকরা আজীবন চিকিৎসা প্রদানের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করে যেতে সক্ষম।



সুবিধাঃ
হোমিও
চিকিৎসক হিসেবে ডিএইচএমএস কোর্স (ডিপ্লোমা) এবং বিএইচএমএস কোর্স (বাচেলর) সম্পন্নকারীরা হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার হিসেবে সরকার কতৃক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত হবার মাধ্যমে সারাদেশে হোমিও চিকিৎসা প্রদান করতে পারেন। এছাড়াও শিক্ষাসম্পন্নকারীরা সরকার কর্তৃক পরিচালিত বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়োগ পেতে সক্ষম। হোমিওপ্যাথি ডাক্তারদের যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে সারাদেশ ব্যাপী।

 
বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সংক্রান্ত- পড়ালেখা সম্পন্ন করার পর হোমিও ডাক্তার হিসেবে প্রত্যেকেই একটি রেজিস্ট্রেশন নম্বর অর্জন করে। যার ফলে সরকারি চাকরির উপর নিভর্রশীল না হয়ে বেশিরভাগই স্ব উদ্যোগে চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত হয়ে থাকেন। এই পেশাতে উল্লেখযোগ্য সুবিধা হচ্ছে, একজন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার বাংলাদেশের যে কোন প্রানে- নিজ সুবিধাজনক স্থানে চিকিৎসা সেবা শুরু করতে সক্ষম। এই পেশাতে সদ্য পাশ করা একজন ডাক্তার প্রাথমিকভাবে প্রতিমাসে ৩০-৫০ হাজার টাকা উপার্জন করেত সক্ষম হয়ে থাকে। তবে এই পেশাতে যোগ্যতার দাম অনেক বেশি। একজন রোগীকে ডাক্তার হিসেবে কত দ্রুত সুস্থ করতে পারেন অর্থাৎ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় একজন চিকিৎসকের হাতের যশের উপর নিভর্র করে উপার্জনের পরিমাণ। অভিজ্ঞতার সাথে সাথে বৃদ্ধি পেতে পারে একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের প্রতিমাসের উপার্জনের পরিমাণও। অভিজ্ঞতার সংমিশ্রণের মাধ্যমে চিকিৎসায় সফল একজন চিকিৎসকের প্রতিমাসের বেতন ৭০-৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত- হতে পারে। ফলে ক্যারিয়ার হিসেবে যে কেউ এই পেশাকে গ্রহণ করতে পারেন। সেই সাথে দেশের চিকিৎসা সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করনের মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতের উন্নয়নে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে পারেন।
আমাদের দেশে চাকরির পদের তুলনায় চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যা দিন দিনই বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। ফলে প্রতিবছরই ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠীর সংখ্যা। বাস্তবতার নিরীক্ষে বাংলাদেশে প্রয়োজন বিশেষায়িত শিক্ষার। যার মাধ্যমে শিক্ষা সম্পন্ন করার পরপর কেউ যেন চাকরির পিছনে না ছুটে স্বনিভর্রতার সাথে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়ে উঠে। এরই ধারাবাহিকতায় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায়  ডিগ্রী অর্জনের মাধ্যমে নিজেকে দক্ষ হোমিও চিকিৎসক রূপে ক্যারিয়ার শুরু করা সম্ভব। হোমিও চিকিৎসায় নিয়োজিত হলে এবং সফলভাবে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করতে সক্ষম হলে আপনার ক্যারিয়ার আজীবন সচল থাকবে কোন বিরতী ছাড়াই।
 
বাংলাদেশে অগনিত মানুষ রয়েছে যারা কেবলমাত্র হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করে থাকে। বিশেষ করে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা স্বল্পমূল্যে করা সম্ভব হবার কারণে এবং হোমিও ঔষধের মূল্যে অনেক কম হবার কারণে বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠী হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সেবার উপর নিভর্রশীল। যার ফলশ্রুতিতে এই পেশাতে নিয়োজিত চিকিৎসকদের ক্যারিয়ারে প্রতিষ্ঠা পেতে বেশিদিন প্রয়োজন হয় না।
হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজে শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে স্বল্প ব্যয়ে এবং স্বল্পসময়ে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক রূপে জনগণের চিকিৎসা প্রদান করা সম্ভব। সেই সাথে দেশের স্বাস্থ্যখাতে সরাসরি অবদান রাখার পাশাপাশি নিজের অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা আনয়ন সম্ভব। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি ক্যারিয়ারে সফল হতে অনেকেই এখন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার শুরু করছে। আপনি যদি এই পেশাতে ভব্যিষতে কাজ করতে চান তবে অবশ্যই দ্রুত সিদ্ধান- গ্রহণ করুন।

আমাদের দেশে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক তৈরিতে ২টি মেডিকেল কলেজ রয়েছে। তার মধ্যে ১টি সরকারি হোমিও প্যাথিক মেডিকেল কলেজ এবং ১টি বেসরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ । এছাড়াও সারা বাংলাদেশে হোমিও প্যাথিক চিকিৎসক তৈরিতে ৩৭টি ইনস্টিটিউট রয়েছে।
হোমিও চিকিৎসক হিসেবে বাংলাদেশে যথেষ্ট সম্মান এবং স্বচ্ছলতার সাথে জীবনযাপন করা সম্ভব। সাফল্যজনক ভাবে শিক্ষা অর্জনকারী ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে প্রায় সকলেই স্বউদ্যোগে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হিসেবে সাফল্য অর্জন করতে সচেষ্ট হয়েছে।