লেখক: অধ্যাপক ডা: আনিসুর রহমান | শুক্র, ২৯ এপ্রিল ২০১১, ১৬ বৈশাখ ১৪১৮একটি সার্জিক্যাল ইমার্জেন্সী এপেন্ডিসাইটিস হচ্ছে এপেন্ডিহ্নের প্রদাহ, যা ক্ষুদ্রান্ত্র ও বৃহদন্ত্রের সংযোগস্থলে অবস্থিত আঙ্গুলের মতো দেখতে একটি ছোট থলি। পীড়া, আঘাত বা সংক্রমণের কারণে এপেনডিক্সে প্রদাহ হয়, যাতে এপেন্ডিক্স ফুলে ওঠে এবং ব্যথার জন্ম দেয়। এপেন্ডিসাইটিস এর চিকিত্সা নেওয়া জরুরী, কেননা এর একটি জটিলতা হচ্ছে পারফোরেশন বা ফেটে যাওয়া (বার্স্ট এপেন্ডিক্স)। যদি একটি সংক্রমিত এপেন্ডিক্স ফেটে যায়, সারা পেট জুড়ে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়বে। ফলে পেরিটোনাইটিসের মত পেটের পর্দার মারাত্মক সংক্রমণ হতে পারে। যদি দ্রুততার সাথে চিকিত্সা করা না হয়, পেরিটোনাইটিসের কারণে মৃত্যুও হতে পারে। ফেটে যাওয়ার ঝুঁকি আছে বলেই, এপেন্ডিসাইটিসকে একটি জরুরী অবস্থা হিসাবে ধরা হয়।কিভাবে হয়: বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই, মলের টুকরা আটকে এপেন্ডিক্সের খোলা মুখ বন্ধ হয়ে গেলে, প্রদাহ শুরু হয়। পরিপাকতন্ত্রে কোন সংক্রমণের প্রতিক্রিয়ার কারণেও এটা হতে পারে।উপসর্গগুলো কি কি: রোগী ব্যাতিরেকে উপসর্গের জের ফের হতে পারে; যেমন-* পেটে ব্যথা, সাধারণত: নাভীর কাছ থেকে শুরু হয়ে পেটের ডান দিকে নিম্নাংশে ব্যথা ছড়িয়ে পড়ে।* ক্ষুধামন্দা* বমি বমি ভাব হওয়া* বমি হওয়া* কোষ্ট কাঠিন্য বা ডায়ারিয়া* পায়ুপথে বাতাস চলাচলে অসুবিধা* জ্বর, তবে সাধারণত: অতি উচ্চমাত্রায় নয়।* পেরিটোনাইটিসের উপসর্গগুলো আরও অনেক মারাত্মক। ব্যথার পরিমাণ অনেক বেশি থাকে এবং সারা পেট জুড়ে থাকে। পেট ফুলে যায় এবং পেটে শক্ত ও চাপ চাপ ভাব অনুভূত হয়।কিভাবে রোগ নির্ণয় হয়: মাঝে মাঝে এপেন্ডিসাইটিস রোগ নির্ণয় করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে, বিশেষ করে ছোট শিশু, বয়স্ক লোক এবং গর্ভবতী নারীর ক্ষেত্রে। আপনার কনসালটেন্ট আপনার উপসর্গগুলো পর্যালোচনা করবেন এবং আপনাকে পরীক্ষা করবেন। আপনাকে নিম্নবর্ণিত পরীক্ষাগুলো করতে হতে পারে।* ব্রাড টেস্ট* ইউরিন টেস্ট* চেস্ট এক্সরে বা বুকের এক্সরে (যেহেতু ডান দিকের ফুসফুসের নিম্নাংশে নিউমোনিয়ার কারণেও পেটে ব্যথা হতে পারে।* পেটের এক্সরে বা আল্ট্রাসাউন্ড পরীক্ষা* কোন কোন ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ পেটের সিটি স্ক্যান।কিভাবে এরোগের চিকিত্সা করা হয়: যদি রোগ নির্ণয় অস্পষ্ট হয়, তবে ইমার্জেন্সী রুমে অথবা হাসপাতালে ভর্তি করে ১২-২৪ ঘন্টার জন্য রোগীকে নজরদারীতে রাখতে হবে, এটা জানার জন্য যে অপারেশন লাগবে কিনা। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই অপারেশনের মাধ্যমে এপেনডিক্স ফেলে দিতেই হয়। অপারেশনের নাম হচ্ছে এপেন্ডেকটোমি। সাধারণত: ল্যাপারোস্কোপিক (কী হোল) পদ্ধতিতে পেটের নিচের অংশে তিনটা ছোট ছিদ্র করে এই অপারেশন করা হয়। জটিলতাপূর্ণ রোগীদের ক্ষেত্রে তলপেট কেটে এই অপারেশন করা হয়। পেরিটোনাইটিস হলেও অপারেশন-ই এর চিকিত্সা এবং এই অবস্থাকে সার্জিক্যাল ইমার্জেন্সী হিসাবে গণ্য করা হয়। পেরিটোনাইটিসের উপসর্গ সম্বলিত রোগীকে ইমার্জেন্সী বিভাগে যত দ্রুত সম্ভব পরীক্ষা করা উচিত। সার্জারির আগে রোগীকে এন্টিবায়োটিক দেওয়া হবে। রোগীর এপেনডিক্স ফেটে গিয়ে পেরিটোনাইটিস হয়েছে কি না তার উপর ভিত্তি করে এন্টিবায়োটিক চিকিত্সা ২৪ ঘন্টা বা তারও বেশি সময় ধরে চলতে পারে।অপারেশন পরবর্তী প্রথম দিনে রোগীকে হয়তো কোন খাবার বা তরল খেতে দেয়া হবে না। এর পর রোগীকে সামান্য পরিমাণ পানি, পরে তরল খাবার এবং অবশেষে শক্ত খাবার দেয়া হবে, যতক্ষণ পর্যন্ত না রোগী স্বাভাবিক ভাবে নিয়মিত খাবার খেতে পারছেন। ল্যাপারোস্কোপিক এপেনডেকটোমির পরে সাধারণত: রোগীকে ২ দিনেরও কম সময় হাসপাতালে থাকতে হয়। পেট কেটে ওপেন পদ্ধতিতে অপারেশন করা হলে হয়তো তা ৪ দিনে স্থায়ী হতে পারে। যদি রোগীর এপেনডিক্স ফেটে যায়, তবে হাসপাতালে ৭ দিন বা তারও বেশি থাকতে হতে পারে। এপেনডিক্স ছাড়াও রোগী স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারেন।কিভাবে নিজের যত্ন নিবেন:* বিশ্রাম ও পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমাবেন* আপনার কনসালটেন্টের পরামর্শ অনুযায়ী প্রচুর আমিষযুক্ত খাবার খাবেন* বারে বারে, অল্প অল্প খাবার খাবেন* ধীরে ধীরে আপনার হাঁটা ও কাজের পরিমাণ বাড়াবেন* শেষ না হওয়া পর্যন্ত নির্দেশিত ওষুধগুলো সেবন করবেন। অপারেশনের ক্ষতস্থানে নিম্নের লক্ষণগুলো দেখা দিলে কনসালটেন্টকে জানানাতে হবে।* সেলাইয়ের স্থানে লাল হয়ে গেলে বা উষ্ণতা বোধ করলে* ক্ষত থেকে কোন রস বের হলে* জ্বর হলেঅপারেশনের পরে যদি নিম্নের উপসর্গগুলো দেখা যায়, তবে কনসালটেন্টের সাথে যোগাযোগ করতে হবে:* ক্রমাগত বমি হওয়া* পেটে ব্যথা বেড়ে যাওয়া* জ্বর বেডে যাওয়া* ডায়রিয়া* অজ্ঞান হয়ে যাওয়াএপেন্ডিসাইটিস হওয়া কি রোধ করা যায়:এপেন্ডিসাইটিস রোধ করার কোন উপায় নেই। তবে যারা আঁশযুক্ত খাবার যেমন কাঁচা ফল বা শাক সবজি নিয়মিত খান, তাদের এপেন্ডিসাইটিস কম হয়ে থাকে। যদি রোগীর মনে হয় এপেন্ডিসাইটিস হয়েছে, দেরী না করে কনসালটেন্টের সাথে যোগাযোগ করুন। কেননা এপেনডিক্স সংক্রমণযুক্ত হলে, ফেটে যাওয়ার আগেই তা অপসারণ করা দরকার।অধ্যাপক ডা: আনিসুর রহমানকো-অর্ডিনেটর ও সিনিয়র কনসালটেন্টজেনারেল ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জারিএ্যাপোলো হসপিটালস্, ঢাকা
লেখক: অধ্যাপক ডা: শুভাগত চৌধুরী | শুক্র, ২৯ এপ্রিল ২০১১, ১৬ বৈশাখ ১৪১৮
উচ্চরক্তচাপ আমেরিকার মত দেশে তিন জনে একজনের হলেও আমাদের দেশেও কম নয়। সঠিক পরিসংখ্যাণ নেই তবে উচ্চরক্তচাপের রোগী যে কত তাগুণে শেষ করা কঠিন। উচ্চরক্তচাপ হলে বাড়ে হূদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি। ব্যায়াম এবং স্বাস্থ্যকর আহার হলো উচ্চরক্তচাপ প্রতিরোধের গুরুত্বপূর্ণ উপায়।উচ্চ রক্তচাপ থাকলেও ব্যায়াম করলে উচ্চরক্তচাপের ওষুধের কার্যকারিতা অনেক বেড়ে যায়। উপভোগ্য হোক ব্যায়াম: যে সব ব্যায়ামে মজা লাগে সেসব ব্যায়াম সপ্তাহের প্রায় প্রতিদিন ৩০ মিনিট করে করলে ভালো হয়। দৈনন্দিন গৃহকর্ম, বাগানকরা, জানালা ধোয়া, সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠা, মুদির দোকান থেকে জিনিসপত্র বহন করে আনা, হাঁটা, সাইকেল চালানো সবই আনন্দের ব্যায়াম, হূদহিতকরও বটে। গাড়ি কিছু দূরে পার্ক করে হেটে অফিস যাওয়া, বাসে গেলে এক স্পট আগে নেমে হেটে অফিস যাওয়া বেশ হিতকর। জিমে যেতে পারেন কেউ কেউ: জিমে ব্যায়াম করতে হবে এমন নয়। তবে অনেকে জিম পছন্দ করেন। জিমে ব্যায়াম করতে স্বস্থি বোধ করেন। ভালোওলাগে। ট্রেনার জিমের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে শেখাবেন যাতে আহত না হতে হয়। হার্টকে করুন মজবুত: সাধারণ ভার উত্তোলন, ওজন যন্ত্রপাতি এসব দিয়ে বারবেল, মুগুর এসব দিয়ে শক্তিশালী করার জন্য বা রেজিস্ট্যান্স ব্যায়াম বাপেটের ব্যায়াম, উঠ-বস কুন্ডলী পাকানো এসব ব্যায়াম সপ্তাহে দুই/তিনদিন করলে হূদস্বাস্থ্য উন্নত হয়। রেজিস্ট্যান্স ব্যায়ামে রক্তচাপ কমে, পেশি বাড়ে, বাড়ে বিপাক হার। ব্যায়ামে শরীর খুব গরম হয়, সাঁতার করুন: হার্টের পাম্নকর্ম বাড়ানোর জন্য ও ব্যায়াম হলো রক্তচাপ কমানোর দাওয়াই। তবে গরম সহ্য না হলে সাঁতারকাটুন ৩০ মিনিট। কমে যাবে শরীরে চলমান হরমোন এড্রিনালিন এবং শিথিল হবে রক্তনালী। সাতার কাঁটলে নাড়িঘাতও হ্রাসপায়, কমে যায় রক্তচাপও। কতটুকু ব্যায়াম চাই: রক্তচাপ মাঝারি বাড়লে ৩০ মিনিট দ্রুত হাটা বেশ উপকারী। ওষুধ তখন নাও লাগতে পারে। যদি উচ্চরক্তচাপের ইতিমধ্যে ওষুধখাওয়া হয়ে থাকে তাহলে ৩০ মিনিট মাঝারি ব্যায়াম অর্থাত্ ব্যায়াম করে হূদঘাত হার বাড়িয়ে, ঘেমে নেয়ে উঠা সম্ভব হলে, ওষুধের কার্যকারিতা বেশ বেড়েযায়। উচ্চরক্তচাপ না থাকলেও শরীরর্চ্চা করলে রক্তচাপ থাকে স্বাভাবিক। শুরু করুন: ব্যায়াম করা হয়নি তেমন। চর্চানেই; ধীরে ধীরে শুরু হোক। ধাতস্থ হলে সময় বাড়ানো যাবে। মজা লাগে এমন ব্যায়াম প্রথমে ১০-১৫ মিনিট, যেমন হাটা, ট্রেডমিল বা সাইকেল চালানো। এভাবে প্রতিদিন একটু একটু করে সময় বাড়িয়ে পৌঁছে যান দিনে আধ ঘন্টার ব্যায়াম। ব্যায়ামে নতুন হলেধীরে সুস্থে শুরু করা ভালো। রয়ে সয়ে। প্রথমে কম থেকে মাঝারি ধরণের ব্যায়াম যেমন যোগ ব্যায়াম, সাইকেল চালানো, বাগান করা, হাটা, পানিতেজলকেলি। এরপর বাড়ান গতি ও সময়। ব্যায়াম হোক সুবিধার ও স্বস্তির: ব্যায়াম যেন দিনরাতে কর্মব্যস্ততার সঙ্গে মানানসই হয়। বাচ্চারা যখন খেলে অথবা স্কুলে, কাজের আগে বা পরে, দুপুরেরখাওয়ার বিরতিতে করা যায় ব্যায়াম। যদি বাড়ি থেকে একেবারে বের না হওয়া যায় তাহলে ঘরে নিশ্চলবাইক বা ট্রেডমিলে ব্যায়াম। সন্ধ্যার খবর দেখতেদেখতে সে ব্যায়াম করা যায়। মিনি ব্যায়ামও চলে: ১০ মিনিটের মিনি ব্যায়াম, কর্মব্যস্ত দিনের ফাকে হোক না এমন ব্যায়াম দিন জুড়ে। যেমন যথাস্থানে জগিং ১০ মিনিট, ক্যালসথেনিকস্ বা ঘর দোয়ার মোছা। তিনবার দশ মিনিটের ব্যায়াম দিনে আধ ঘন্টা, হূদস্বাস্থ্যর জন্য ভালো।ঘরেও গড়া যায় জিম: ব্যায়াম করতে চান তবে জিমে যেতে পারেন না। ঘরেও তৈরি করুন জিম। ঢালু একটি বেঞ্চ, ফ্রি ওয়েট, মুগুর, ডামবেল, ব্যায়ামব্যাঙ্গ বা টিউব, যোগাসনের ব্যবস্থা ও বল। সিন্দুকে রাখুন বা কোনও লকার বা ক্লজেটে। একটি ট্রেডমিল বা নিশ্চল বাইক রাখুন শরীরের মেদ পোড়াবারজন্য বা ধৈর্য্য বাড়ানোর জন্য। গরম হন, শীতল হন: আমেরিকান হার্ট এসোসিয়েশনের মতে যাদের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে এরা ব্যায়ামের আগে শরীর গরম করলে এবং ব্যায়ামের পরশরীর শীতল করলে ভালো। এতে হূদঘাত হার ক্রমে ক্রমে বাড়ে ও ক্রমে ক্রমে কমে। ট্রেডমিলে বা যথাস্থানে ১০ মিনিট দৌঁড়ানো ওয়ার্ম আপের জন্যভালো। শীতল হওয়ার জন্যও। হূদঘাত হার মাপার ঘড়ি ব্যবহার করুন: হার্টরেট ওয়াচ দিয়ে লক্ষ্য করা যায়, দ্রুত নাডির স্পন্দন। সার্টের নিচে বুকে বেধে ফেলুন ব্যান্ডটি। ব্যায়ামেরসময় ঘড়ি নজর করলে জানা যাবে হূদঘাত হার। ডাক্তারের কাছ থেকে জেনে নিন টার্গেট হার্ট রেট কত হবে আপনার। ওষুধ ও হূদঘাত হার: হার্টের কিছু ওষুধ যেমন বিটা ব্লকারস্ বা ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকারস হ্রাস করতে পারে হূদঘাত হার। তাই ডাক্তারের পরামর্শ নেয়াভালো ব্যায়ামের আগে। জেনে নিন নিরাপত্তা টিপস: যে ব্যায়ামই করুন না কেন, নিজের সীমাবদ্ধতা জানা ভালো। ব্যায়াম বা শরীরচর্চায় আহত হলে, একে তখন বন্ধ করা ভালো।মাথা ঝিমঝিম করলে, বা বুকে, বাহুতে, গলায় অস্বস্তি লাগলে বন্ধ করা ভালো। ভাপসা গরমে ধীরে ব্যায়াম ভালো। ডাক্তার দেখাবেন নিয়মিত: ডাক্তারকে দিয়ে চেক আপ। শরীরর্চ্চা শুরুর আগে ডাক্তারের অনুমতি নিতে হয়, যদি কেউ হন শুয়ে বসে জীবন যাপনে অভ্যস্তলোক, খুব ভারি ওজনের বা হূদরোগের বা ক্রনিক রোগের খুব ঝুঁকি সম্প্রন্ন মানুষ। ব্যায়ামের পরও ড্যাশ ডায়েট: ড্যাশ ডায়েট অনুসরণ করে সিসটোলিক রক্তচাপ ৮-১৪ পয়েন্ট কমানো যায়। ড্যাস ডায়েট মূলত: ২০০০ ক্যালোরি ডায়েট, ফল সবজি, গোটাশস্য, ডাল, বীচি, কম চর্বি দুধ সম্বদ্ধ খাদ্য বিধি। ৫০ উর্দ্ধ মানুষের জন্য সিসটোলিক চাপ ১৪০ এর বেশি হলে হূদরোগের ঝুঁকি বেশি, ডায়াসটেলিক (নিচেরটা) চাপের তুলনায়।হ্রাস করুন ১০ পাউন্ড ওজন: দেখা গেছে ওজন মাত্র ১০ পাউন্ড কমালে, যদি ওজন বেশি হয়, তাহলে রক্তচাপ কমানো যায়। তাই নিতে হবে কমক্যালোরি। এ জন্য ডাক্তার ও পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিন। লবণ দিনে ২৪০০ মিলিগ্রাম মাত্র, অর্থাত্ ১ চামচ লবণ । মদ্যপান বর্জন করা শ্রেয়। অধ্যাপক ডা: শুভাগত চৌধুরীপরিচালক, ল্যাবরেটরী সার্ভিসেসবারডেম, ঢাকা।